মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬,
২৩ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English

মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬
সোশ্যাল মিডিয়া
হাদির সন্তানকে ঘিরে ‘স্ক্রিপ্ট’ সাজানোর অভিযোগ রাকসু জিএসের
নিজস্ব প্রতিবেদক
Publish: Sunday, 25 January, 2026, 4:08 PM
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

লন্ডনে যাওয়ার উদ্দেশ্যে শহীদ ওসমান হাদির সন্তানকে ব্যবহার করে একটি ‘স্ক্রিপ্ট’ সাজানো হয়েছে—এমন অভিযোগ তুলেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) জিএস সালাউদ্দিন আম্মার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া একাধিক পোস্টে তিনি এ বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন।

আম্মারের অভিযোগ, শহীদ ওসমান হাদির ভাই ওমর শরীফ মূলত ১১ মাসের শিশু ফিরনাসের দেখভালের অজুহাতে যুক্তরাজ্যে যাওয়ার পরিকল্পনা সাজিয়েছেন। এতে শহীদ হাদির স্ত্রীকে বাংলাদেশে রেখে সন্তানকে বিদেশে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে, যা অত্যন্ত প্রশ্নবিদ্ধ।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) এক ফেসবুক পোস্টে সালাউদ্দিন আম্মার একটি উপমার মাধ্যমে বিষয়টি ব্যাখ্যা করেন। তিনি লেখেন, বাংলাদেশের সামাজিক বাস্তবতায় স্বামী মারা যাওয়ার পর একজন নারীর হাতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ সীমিত থাকে। সেই সুযোগকে ব্যবহার করেই সন্তানের অভিভাবকত্বের নামে সর্বোচ্চ সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করা হচ্ছে।

ওমর শরীফের উদ্দেশে আম্মার বলেন, “এক্সাক্টলি দিস ইজ দ্য পয়েন্ট! ১১ মাসের শিশু ফিরনাসের দেখভাল দেখিয়ে শহীদ হাদির লাশের সর্বোচ্চ সুবিধা নিশ্চিত করতে চাওয়া হচ্ছে। এমনকি বলা হচ্ছে—স্ত্রীকে রেখে দাও, সন্তানকে দাও। অথচ শহীদ হাদির স্ত্রীই এখন দুনিয়ার সবচেয়ে অনিরাপদ মানুষ।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, সিঙ্গাপুরে সর্বোচ্চ চিকিৎসা সুবিধা থাকা সত্ত্বেও শুরু থেকেই লন্ডনে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। পরে নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে সেখানেই স্থায়ী হওয়ার ‘গল্প’ সাজানো হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

আম্মার লেখেন, “লন্ডনে যাওয়ার খায়েশ থাকলে আপনি যেতেই পারেন। কিন্তু যে স্ক্রিপ্টে যেতে যাচ্ছেন এবং যাকে জড়াচ্ছেন, সে শুধু শহীদ হাদির সন্তান না—সে তার উত্তরসূরি।”

শহীদ হাদির সন্তানকে নিয়ে টানাটানি না করে ওমর শরীফকে একা চলে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শিশুটিকে শহীদ হাদির আদর্শে বড় করে তুলতে হবে।

আরেক পোস্টে সালাউদ্দিন আম্মার দাবি করেন, ‘লাশ ক্যাশ’-এর পুরো বিষয়টি এখন স্পষ্ট। তার ভাষায়, “মানুষের আসল পরিচয় মৃত্যু কিংবা সংকটের পরই সবচেয়ে পরিষ্কার হয়।”

তিনি উল্লেখ করেন, একজন শহীদের স্ত্রী যখন সরকারি সুবিধা বা চাকরির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে ‘আমি চাকরি চাই না, আমি বিচার চাই’ বলে অবস্থান নেন, তখন সেটি আর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত থাকে না—তা ন্যায়বিচার, আত্মসম্মান ও আদর্শের প্রতি দৃঢ় অবস্থানের প্রতীক হয়ে ওঠে।

কেকে/ আরআই
আরও সংবাদ   বিষয়:  হাদি   রাকসু   জিএস  

সর্বশেষ সংবাদ

অক্টোবরে শুরু স্থানীয় সরকার নির্বাচন : তথ্য উপদেষ্টা
শেরপুরে অসহায় পরিবারের মাঝে বিনামূল্যে ছাগল বিতরণ
ভারী বর্ষণে রামুর বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত, পৌঁছায়নি সরকারি সহায়তা
টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত বান্দরবান, বাড়ছে সাংগু ও মাতামুহুরী নদীর পানি
নালিতাবাড়ীতে ২০ বোতল ভারতীয় মদসহ গ্রেপ্তার ১

সর্বাধিক পঠিত

খাদ্য অধিদপ্তরের ফ্যাসিস্ট সেই নুপুরের বদলি বাতিল
গজারিয়ায় কিশোরী ধর্ষণ, প্রধান অভিযুক্ত সাজিদ গ্রেপ্তার
ব্রাজিলের হারে কুষ্টিয়ায় সমর্থকের আত্মহত্যা
ইটনায় পূর্ব শত্রুতার জেরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার
শ্রীমঙ্গলে অবহেলিত শতবর্ষী ভিক্টোরিয়া স্কুল মাঠ, আধুনিকায়নের দাবি এলাকাবাসীর
সোশ্যাল মিডিয়া- এর আরো খবর
সর্বস্বত্ব প্রকাশক কর্তৃক সংরক্ষিত।
সম্পাদক ও প্রকাশক : আলহাজ্ব মিজানুর রহমান
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ৩৭ দিলকুশা, সান মুন টাওয়ার, লেভেল ১৭,বাণিজ্যিক এলাকা, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ ।
ফোন: ০২-৯৫৮৪১২৪-৫, মোবাইল: +৮৮০১৭৬২-৩৭৫২৬৮, ফ্যাক্স: ৯৫৮৪১২৬, ই-মেইল: bartamandhaka@gmail.com
ফলো করুন: